বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৩

শান-এ-গাউসূল আজম মাইজভাণ্ডারী

বাবা ভান্ডারী ডটকম ::উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্ম মিলন কেন্দ্র মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ-এর পরিচিতি বর্তমানে স্বদেশের গন্ডি ছাড়িয়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিশ্বের অনুসন্ধিৎসু সূফীবাদী পণ্ডিত ও গবেষকদের আগ্রহকে আকর্ষণে সমর্থ হয়েছে। দেড় শতাধিক বছরের ধারাবাহিকতায় সূচনা সময় থেকেই প্রতিকূলতা ও বিরোধিতাকে মোকাবেলা করে মাইজভাণ্ডারী তরিকার অনুসারীদেরকে পথ চলতে হয়েছে। মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের বিকাশ ধারায় বিভিন্ন ইস্যুতে চিহ্নিত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধবাদী এবং স্বার্থান্বেষীদের প্রতিকূলতা ও বৈরীতা প্রতিরোধে বর্তমান সময়ে সমন্বিত প্রয়াস এবং উদ্যোগ গ্রহণের আবশ্যকতায় কোন ধরনের ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণের অবকাশ নেই। মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন ধরনের কর্মতৎপরতায় জড়িত কোন কোন ব্যক্তি ‘মাইজভাণ্ডারী’ পরিচয় ব্যবহার পূর্বক অবাঞ্চিত ও অননুমোদিত আচার ও আচরণে লিপ্ত থেকে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শন বিষয়ে অনাহূত বিতর্কের সৃষ্টি করে থাকে। ফলে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের মৌলিক রূপ-এর পরিবর্তে এই ক্ষেত্রে মাইজভাণ্ডারী তরিকত পন্থীদের ব্যাপারে ভুল ধারণার অনেক ক্ষেত্রেই এক ধরনের বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই ধরনের কপটাচারীদেরকে প্রতিরোধ পূর্বক প্রকৃত মাইজভাণ্ডারী দর্শনের পরিচিতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সমন্বিত ও সম্মিলিত উদ্যোগ একান্তভাবে জরুরি। বস্তুতঃ মাইজভাণ্ডারী তরিকত পন্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়, সম্পূরক ও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক রচনার মাধ্যমে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের সুষ্ঠু বিকাশ ধারায় সংশ্লিষ্ট আওলাদবৃন্দের দায়িত্ব ও কর্তব্য সমূহ অধিকতর সচেতনতায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সুসম্পন্নের লক্ষ্যে একটি ঐক্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠার আবশ্যকতা দীর্ঘ সময় ধরে অনুভূতত হয়ে এসেছে। মাইজভাণ্ডারী বেলায়তের অনুগ্রহে লালিত আওলাদে মাইজভাণ্ডারী ও খোলাফায়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর আওলাদদের সমন্বয়ে সীমিত গণ্ডি ভেঙে সর্বজনীন অংশগ্রহণে সম্পূর্ণ গোষ্ঠী চেতনামুক্ত ও অরাজনৈতিক ঐক্যমঞ্চ হিসেবে নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ‘শান-এ-গাউসূল আজম মাইজভাণ্ডারী’ শীর্ষক এই ফোরাম ১৪২৮ হিজরীতে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারীর চান্দ্রবার্ষিকী ওফাত দিবস ২৭ জিলক্বদ মোতাবেক ৯ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে আয়োজিত আওলাদে খেলাফায়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী সম্মেলনে সাংগঠনিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই ফোরামের নামকরণ বিশ্লেষণ করলে সহজেই বুঝা যাবে যে উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান আধ্যাত্ম মিলনকেন্দ্র হিসেবে মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ ও মাইজভাণ্ডারী শরাফতের মহান প্রতিষ্ঠাতাসহ মাইজভাণ্ডারী শরাফতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল আধ্যাত্ম ব্যক্তিত্বদেরকে আবর্তিত করে বিগত দেড়শতাধিক বছরের ধারাবাহিকতায় যে অনন্য আধ্যাত্ম শরাফত প্রবহমান রয়েছে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের সেই ধারায় সঞ্জীবিত মাইজভাণ্ডারী আওলাদ ও খোলাফায়ে মাইজভাণ্ডারীর আওলাদ বা উত্তরাধিকারীদের দায় ও দায়িত্ব সমূহ সম্পূরক ও সমন্বিতভাবে সুসম্পন্ন করার প্রয়াসে শান-এ-গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী ফোরাম প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে।

নিম্নে উল্লিখিত লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যে শান-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী ফোরাম-এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে চলেছে। (১) ইসলামের মৌলিক আহ্বান বিকাশের যুগোপযোগিতায় হযরত গাউসুল আযম শাহসূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (১৮২৬-১৯০৬) (ক.) প্রবর্তিত এবং প্রদর্শিত মাইজভাণ্ডারী তরিকার মূল নীতিমালার যথাযথ অনুসরণ ও অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ করা। (২) মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে আধ্যাত্ন শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভাণ্ডারী তরিকার প্রবর্তক শাহসূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এর গাউসূল আযমিয়তের শানসহ গাউসুল আযম বিল বেরাছত হযরত শাহসূফী মাওলানা সৈয়দ গোলাম রহমমান (ক.) সহ সমস্ত খোলাফায়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর মর্তবা এবং মর্যাদা সুরক্ষায় সচেষ্ট থাকা। (৩) মাইজভাণ্ডারী তরিকার মূলদর্শন নীতিমালা ও এই মহান দরবারে পাকের শরাফত সম্পর্কে কোন কোন ক্ষেত্রে জনমনে যে বিরূপ ধারণা তৈরি হয়ে থাকে তা বিদূরিত করার ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণপূর্বক মাইজভাণ্ডারী তরিকার সুমহান মর্যাদা সমুন্নত রাখতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা। (৪) বিভিন্ন অনুষ্ঠান, কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাইজভাণ্ডারী আধ্যাত্ম শরাফতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল দরবারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব ও সমন্বয় সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা। (৫) জনকল্যাণে সামগ্রিক মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও শরাফতের ধারায় প্রতিষ্ঠিত দরবার এবং সমস্ত আশেক ভক্তগণের অধিকতর সম্পৃক্তি নিশ্চিতকরণে উদ্যোগ গ্রহণ করা। (৬) ইসলামের মূল ধারাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে তাসাউফের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গবেষণা কেন্দ্র, পাঠাগারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মাধ্যমে জনগোষ্ঠীকে শিক্ষিত, কর্মঠ জনশক্তিতে রূপান্তরে সহায়তা করা। (৭) তরিকত চর্চার ক্ষেত্রে দরবার সমূহের কল্যাণকামী কর্মতৎপরতায় সহযোগিতা এবং অভিযোগ সমূহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট উত্থাপনপূর্বক প্রতিকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থায় সহায়তা করা। জাগতিকভাবে কলিকাতা আলীয়া মাদ্রাসার সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী বাগ্মী আলেমে দ্বীন এবং বেলায়তের চর্চার ক্ষেত্রে যুগপ্রবর্তক হিসেবে রসুলে পাক (দ.) এর বেলায়তে মোতলাকা-এ আহমদির তাজধারী গাউসূল আজম মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) বাংলার জমিনে দেশীয় সমাজ ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে ‘মাইজভাণ্ডারী তরিকা’ প্রতিষ্ঠা পূর্বক এক অনন্য কৃতিত্বে আমাদেরকে গর্বিত ও ঋদ্ধ করেছেন। ইসলামি হুকুমতের ছত্রছায়ায় পরিচালিত তরিকত পন্থা বেলায়তে মোকাইয়্যেদ যুগের ধারাবাহিকতা পাক-ভারত উপমহাদেশে অমুসলিম বিদেশি বৃটিশ শাসকদের প্রতিরুদ্ধতায় যখন স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছিলো সেই জরুরি মুহূর্তে গাউসূল আযম মাইজভাণ্ডারী বেলায়তে মোতলাকা যুগের সূচনা করে যুগচাহিদার আলোকে তরিকত চর্চায় আগ্রহী জনগোষ্ঠীর জন্য সর্বজনীন সংশ্লিষ্টতায় সমৃদ্ধ যে তরিকত পন্থার সূচনা করেছিলেন মূলত সেই ধারাকেই ধারণ করে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শন এর উদ্ভব হয়েছে। মাইজভাণ্ডারী শরাফতের ভিত্তিতে নবতর উদ্দীপনায় এতদাঞ্চলের তৎকালীন খ্যাতিমান আলেম ওলামা, ঐশী আলোর সন্ধানী ব্যক্তিত্ববৃন্দ সোহবত (সাহচর্য) ও নিসবত (নৈকট্য) হাসিলের মাধ্যমে খোলাফায়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী হিসেবে পরিচিতি প্রতিষ্ঠায় সমর্থ হয়েছিলেন। মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের সম্প্রসারণে বদরযুদ্ধের বীরসাহসী মোজাহেদ, শহীদ ও গাজী সেনানীর মত তাঁদের ভূমিকা নিঃসন্দেহে শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে স্মরণীয় হয়ে এতদাঞ্চলে তরিকত চর্চার ইতিহাসে লিপিবদ্ধ থাকবে। যেহেতু এসকল ওলীর প্রেমাভিযানের ফলে, লক্ষ লক্ষ পথহারা মানুষ খোদাপথের সন্ধান লাভে ধন্য হয়েছে। মাইজভাণ্ডারী দর্শনে ধর্মীয় চেতনায় এক অনিবার্য বিপ্লব, চলমান সকল তরিকত পন্থীদের সমান্তরালে এক অনন্য আধ্যাত্ম চেতনা। জাতিধর্মবর্ণগোত্র নির্বিশেষে সকলের বিশ্বাসবোধকে বেষ্টনকারী, প্রাগ্রসর বিশ্বমানবতার কল্যাণে এক অপরিহার্য আন্দোলন, ইহকাল ও পরকালের মুক্তিসনদ পৌত্তলিকতাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা নাস্তিক্যবাদ ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধবাদী, ধর্মসাম্যের সর্বজনীন আবেদন সমৃদ্ধ মানবতাকামীদের জন্য পরম কাঙিক্ষত মহান তত্ত্ব। ‘শরীয়ত তরিকত হাকিকত ও মায়ারেফাতের প্রভাবে ও সংমিশ্রণে মাইজভাণ্ডারী তরিকা রূপ মহাসাগরে উৎপত্তি’। ইসলামি সূফীবাদের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মাটিতে উদ্ভূত একমাত্র তরিকা হিসেবে মাইজভাণ্ডারী তরিকা আধুনিক বিজ্ঞান ও কুরআন সুন্নাহ সম্মত তরিকা হিসেবে ইতিমধ্যে বিশ্ব সূফীবাদী গবেষক, পণ্ডিতসহ সর্বত্র স্বীকৃতি লাভ করেছে। আদলে মোতলাক বা বিচার সাম্যের প্রতিষ্ঠায় এতদাঞ্চলের জনমানসে রহমতুল্লিল আলামীন এর সর্বজনীন আহ্বান বাস্তবায়নে কোরআনী হেদায়ায়তের আলোকে মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শন অমিত এক সম্ভাবনাকে ধারণ করে রেখেছে সযতনে। এই বাস্তব সমগ্র মানবগোষ্ঠীর গোচরে আনার মহান দায়িত্ব নিতে হবে সকল মাইজভাণ্ডারী তরিকত পন্থীদেরকে। গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) {১৮২৬-১৯০৬}প্রবর্তিত ও গাউসুল আজম বিলবেরাছত বাবাভাণ্ডারী মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ গোলাম রহমান (ক.) {১৮৬৫-১৯৩৭}-এর কামালিয়তে লালিত মাইজভাণ্ডারী তরিকা ও দর্শনের অনুসারীদের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসেবে সকল মাইজভাণ্ডারী তরিকতপন্থীদের সম্মিলনী ঐক্যমঞ্চ হিসেবে শান-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যকে ধারণ করেই এই ঐক্যমঞ্চ প্রতিষ্ঠা সময় থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছে এবং ভবিষ্যতে এই ধারা আরো শক্তিশালী স্রোতধারা হিসেবে মানব কল্যাণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনে সমর্থ হবে ইনশাআল্লাহ। প্রাথমিকভাবে শান-এ গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী ফোরামের তত্ত্বাবধানে-
(১) মাইজভাণ্ডারী তরিকত পন্থীদের তত্ত্বাবধানে প্রকৃত তাসাউফপন্থী আলেমেদ্বীন তৈরিতে সহায়তার লক্ষ্যে একটি উচ্চতর মর্যাদা সম্পন্ন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার একটি উদ্যোগ ইতিমধ্যে ফোরামের পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। (২) মাইজভাণ্ডারী শান ও আধ্যাত্ম শরাফত প্রসঙ্গে স্বার্থান্বেষীদের অপতৎপরতা সমূহ প্রতিরোধ প্রয়াসে বিভিন্ন ক্ষেত্রে লেখনী ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। (৩) মাইজভাণ্ডারী তারকা ও দর্শনে আস্থাশীল আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে ফোরামের তত্ত্বাবধানে ‘গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী ওলামা পরিষদ’ শীর্ষক একটি স্বতন্ত্র বিভাগীয় ইউনিট ইতিমধ্যে গঠন করা হয়েছে। (৪) দেশব্যাপী মাইজভাণ্ডারী দরবার সমূহে ফোরাম এর ‘দরবার ইউনিট কমিটি’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শান-এ গাউসুলআযম মাইজভাণ্ডারী ফোরামের সাংগঠনিক ভিত্তি দৃঢ়তর করার প্রয়াসও অব্যহত রয়েছে। ৩০ অক্টোবর ২০১০ তারিখে চট্টগ্রামে লালদীঘির ময়দানে বৃহত্তর আঙ্গিকে ‘মাইজভাণ্ডারী সম্মেলন’ আয়োজনের আসন্ন উদ্যোগেও ফোরামের সমন্বিত কর্মতৎরতায় সাফল্যের ফলশ্রুতি নিঃসন্দেহে।
আগামীতে আরো অধিক কার্যকর ও উজ্জ্বল কর্মতৎপরতা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শান-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী তার সাংগঠনিক সামর্থকে যথাযথভাবে উপস্থাপনে সমর্থ হবে ইনশাআল্লাহ। কাঙিক্ষত লক্ষ্য অর্জনে ফোরামের সাংগঠনিক ভিত্তি সুসংহত করতে এই আধ্যাত্ম শরাফতের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা একান্তভাবে কাম্য।
কৃতজ্ঞতা : প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুস মান্নান চৌধুরী কৃত ‘কাওকাবুদদুররী’।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন